Tuesday, July 22, 2025
অবাধ্য নাগচম্পা
সন্ধ্যা নামার আগে
কুমায়নী খাবার
এবারের মত পাহাড়, লেক, কুয়াশা, মেঘ নেমে আসা, বন জঙ্গল ইত্যাদি শেষ হল। দুদিন আগেই পাহাড় থেকে নেমে এসে জঙ্গলের ধারে ঘাপটি মেরে বসেছিলাম। গতকাল জঙ্গলের মধ্যে খানিক এদিক ওদিক করলাম যদি বাবাঘমামাঘমামা , মামী বা ভাগ্না, ভাগ্নির সাথে দেখা হয় । কিন্তু সে গুড়ে বালি। জ্যাম এর ভয়ে করবেট থেকে তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে ৪ ঘণ্টা আগে এয়ারপোর্ট পৌঁছে গেছি। অগত্যা মধুসূদন , লাউঞ্জ বসে ঝিমোনো ছাড়া কোনো উপায় নেই। কিন্তু কতক্ষন আর এ ভাবে বসা যায়। তাই ভাবলাম ঘোরাঘুরি পর্বের ম্যান্ডেটরি ব্লগ টা লিখেই ফেলি।
পাহাড়ের ছবি, ল্যাদের গল্প সব তো বললাম , কিন্তু কুমায়ানী খাওয়া নিয়ে কিছু বলা হয় নি। কৌশাণী তে সাহস করে একদিন লোকাল পাহাড়ি খাবার খেলাম। খাবার এর নাম শুনে খুব চাপ হয়ে গিয়েছিল , আলু কে গুটকে, ভাত কে ডুবকে, ভাত কি চূড়কানি , ভাঙ এর চাটনি, পাহাড়ী রায়তা, মাদুয়া রোটি, চাউল, বাল মিঠাই। কিন্তু খাবার গুলো খেয়ে অবাক হয়ে গেলাম । কি অপূর্ব স্বাদ, আর সব লোকাল সবজি দিয়ে বানানো। লোভ দেখানোর জন্য ছবিও দিলাম। উত্তরাখণ্ড এর এই দিকে এলে অবশ্যই খাবার গুলো একবার চেখে দেখা উচিত।
Saturday, June 21, 2025
কৌশানী এর কথা
Sunday, June 1, 2025
স্মৃতিচারণ -১৮ - টেপ রেকর্ডার
Thursday, May 1, 2025
প্রজাপতি আর গিটার
ঘুম থেকে উঠেই একটু চাপ হয়ে গিয়েছিল। তাই ভাবছিলাম এমনি এমনি একটা চিঠি লিখব, কাউকে উদ্দ্যশ্য করে না , just এমনই। খাতায় পাতা রেডি, নতুন কলম রেডি, কিন্তু বুঝলাম মাথা আর চোখ একদম রেডি না। কি যে হয়েছিল কে জানে দুই নয়ানের দুইবদিঠি কিছুতেই মিল খুঁজে পাচ্ছিল না। কিছুতেই ফোকাস হচ্ছে না। হয়তো বুড়ো হয়েছি তাই। কিন্তু সে তো আজ হইনি । ২০২৩ এই সিনিয়র সিটিজেন হয়ে গেছি। তাও লিখতে না পারার জন্য মন খারাপ হয়ে গেল একটু। একটু ব্যাজার মুড নিয়ে গান শুনতে বসলাম , রোজই আকাশ আট চলে , তবে আকাশ এর ২৫ বছরের ভরসা ফুর্তি উৎযাপন এর কৃপায় বেশ ভালো ভালো গায়কদের গলায় ভালো গান শোনা হলো কদিন । সেদিন ও এই প্রজন্মের বেশ কয়েকজন মিলে দারুন গান বাজনা করল। মন ভালো হলো। দেখলাম সাথে সাথে চোখ দুটো আবার sync এ চলে এসেছে, তবে চিঠি লেখা আর হলো না , কয়েকটা এলোমেলো শব্দ মাথায় হঠাৎ করে জড়ো হয়ে পড়ায় বাধ্য হলাম দু এক কলম লিখতে। সবাই তো সব সময় সব কিছু পারে না, সেই রকম আমিও বুঝেছি কবিতা ইত্যাদি লেখা আমার কম্ম না। তাও ভাবলাম দুচারটে গদগদ শব্দ একসাথে খাতার পাতায় ছেড়ে দি, নিজেরাই নড়ে চড়ে ঠিক মত সাজিয়ে গুছিয়ে নেবে,
একটি রঙিন প্রজাপতি
হয়তো বা গায়ে তার রামধনু মাখা
আর একটা গীটার হেলে আছে
এক জানলা আকাশের গায়ে
ওই এঁকে বেঁকে চলে যায়
অচেনা না ফিরে আসার পথ
স্নিগ্ধ আলোএকটি রঙিন প্রজাপতি
হয়তো বা গায়ে তার রামধনু মাখা
আর একটা গীটার হেলে আছে
এক জানলা আকাশের গায়ে
ওই এঁকে বেঁকে চলে যায়
অচেনা না ফিরে আসার পথ
স্নিগ্ধ আলোর বিছানায়
ঘুমিয়ে আছো,,
তুমি সেই মেঘবালিকা
ভেবেছিলাম তোমায় আজ
একটা আখর হীন চিঠি লিখব।
কিন্তু মাথার একপাশের গুবরে পোকা অন্য দিকের অন্যদিকের উচ্চিংড়ের সাথে খানিক লড়াই করে ক্ষান্ত হয় ভাবল একটা চিঠি লেখা যাক , কিন্তু কাকে লিখব, আজকাল আবার মাথায় আর একটা নতুন পোকা ঢুকেছে ,তার নাম AI পোকা। ঘাপটি মেরে বসে থাকে আর সুযোগ পেলেই চিমটি কাটে। বেশ কয়েক লাইন লিখলাম , কিন্তু ওই , রামচিমটি খেলাম। দিলাম লাইন গুলো কে পোস্ট করে, নে এবার সামলা , বাংলা প্রম্পট নিয়ে কেমন ল্যাজে গোবরে হয় দেখি। ও বাবা , সে বেশ জমিয়ে উত্তর দিল, বলল বেশ ভালই তো লেখা হয়েছে, সুন্দর দৃশ্যকল্প। ব্যাস চিঠি লেখা মাথায় উঠল। ভাবলাম "লে পানসি চল বেলঘড়িয়া" বানিয়ে দে দেখি কয়েকটা তসবীর। AI বাবা তো মহা খুশি ,, কয়েকটা ফ্রেম বানিয়ে দিল মনের আনন্দে , আমিও ইমপ্রেসড । আর কি দিলাম পোস্টিয়ে তোমাদের জন্যে
অভ্র
১লা মে , ২০২৫
