Tuesday, April 11, 2023

নব বর্ষা


নব বর্ষা

আসুক,তাহলে নব বর্ষা
না হয় ভিজে নেব 
দু এক পশলা
না রাখতে পারা
প্রতিশ্রতি গুলো
নাহয় ধুয়ে যাবে 
সেই বর্ষায় ,
হোক না প্লাবন 
আরো একবার 
সেবারের মত
আমিও কাগজের নৌকায়
ভাসিয়ে দেব এক মুঠো
অকারণ অনুভূতি।।

- ইতি

Tuesday, March 14, 2023

সম্পর্কনামা - ৫

যত বয়স বাড়ছে , দিনে দিনে এক অদ্ভুত ভাবনা চিন্তা পেয়ে বসেছে ,এই সম্পর্কের ব্যাপারে , সম্পর্কের হাব ভাবের ব্যাপারে , যাকে ইংরেজিতে বললে বলা যায়  behaviors of relationship, এটা একদমই একটা randomized phenomenon, আমার নানান পাগলামির মাঝে আর একটা আরকি 

রাজা , আমার বন্ধু একবার আড্ডা মারতে মারতে আমাকে একটা অদ্ভুত কথা বলেছিল " তুমি না  সব সম্পর্ক জমিয়ে রাখ , আমিও হয়তো রাখি " কথাটা যে এত গভীর তখন বুঝিনি ।  ভাবতে বসে দেখলাম সম্পর্ক জমতে জমতে, পুরনো সম্পর্ক গুলো নতুন সম্পর্কের ভারে সময়ের সাথে সাথে তলিয়ে গেছে , কিন্ত হারিয়ে যায়নি , হারিয়ে যাবেও না । এই সব নানা কথা নানা রকমের ভাবনা , অনেক অনেক স্মৃতি ভেসে ভেসে উঠে আসছে কদিন ধরে তাই এই লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা ।বয়েস বাড়ার সাথে সাথে সেই সম্পর্ক গুলো ভেসে ভেসে ওঠে । একটা বয়েস এর পর মানুষ বোধহয় খুব স্মৃতি রোমন্থন করতে ভালোবাসে । আমিও বা সেই দল থেকে বাদ যাই কেন , পঞ্চাশ এর শেষের দিকে এসে এরকমই হবার কথা।  আমাদের , বিশেষ করে বাঙ্গালীদের একটা ভয়ঙ্কর ভুল ধারনা আছে । সম্পর্ক মানেই ধরে বসি একটা ছেলে আর একটা মেয়ের গল্প । সম্পর্ক যে কোন দুটো এন্টীটী এর মধ্যে হতে পারে। আজ মাস্টারমশাই এর কথা বলব। কদিন ধরে এটা হচ্ছে , রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনলেই মনে পড়ছে মাস্টারমশাইকে , গানের মাস্টারমশাই  । না না ,ঘাবড়ে যাবার কিছু নেই, আমি নিজে কোন দিনই গান শিখিনি, উনি ছিলেন আমার দাদাভাই মনে বড় দাদার গানের গুরু। 

ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি বাড়িতে সবাই গান বাজনা করে, দিদি নাচ শেখে ,, আমি বাড়িতে অনেকটাই ছোট , তাই বিশেষ পাত্তাও পেতাম না ,, আর বুঝতেও পারতাম না গান বাজনা নিয়ে কিছু করা উচিত কিনা। দেখতাম প্রতি মঙ্গলবার গানের ক্লাস হয় , দাদাভাই , বৌদি , মেজদা , সরলা কাকীমা ( মা এর বন্ধু ) গান শেখে , মেজদা স্লাইড গিটার এ রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানো শেখে। ধুতি আর পাঞ্জাবি পড়া মাস্টার মশাই , মানে সমরেশ চৌধুরী , উনি আসতেন কলকাতা থেকে । আর আমি সব কাজ ছেড়ে দিয়ে ,মানে পড়া শুনা ডকে তুলে ভিজে বেড়ালের মত এক কোনে বসে  যেতাম ওই আসরে। এই ব্যাপারে পুরোপুরি ছাড় ছিল। গান বাজনা তখন কিছুই বুঝতাম না , কিন্তু সময় টা খুব উপভোগ করতাম। দাদাভাই এর এক বন্ধু মুরারীদাও আস্ত গান শিখতে । দাদাভাই আর মুরারীদা সবার মধ্যে ভাল গাইত সেটা বুঝতাম ।মাস্টারমশাই খুবই স্নেহ প্রবন ছিলেন , মনে পরে আমার বড় ভাইঝি কে কোলে বসিয়ে বাকি সবাই কে গান শেখাতেন । কিছু মানুষ থাকেন না , যাদের দেখলেই প্রনাম করতে ইচ্ছা হয় , উনি ছিলেন ওই রকম এক জন ।সাদা ধুতি পাঞ্জাবী ছাড়া অন্য কোন পোষাকে ওনাকে কোন দিন দেখিনি । 

একদিন অপ্রত্যাশিত ভাবে খবর এল , মাস্টারমশাই আর নেই । গঙ্গা স্নান করার সময় হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন , আর তাতেই ওনার জীবনাবসান । যতদুর মনে আছে সেই প্রথম আমি মৃত্যু দেখলাম । বাড়িতে এক ভীষন শোকের ছায়া । মণ্ডল কম্পানির হারমনিয়াম এর উপর মালা , দাদাভাই , মুরারী দা শোক এ মুহ্যমান । বেশ কিছুদিন বাড়িতে গান বাজনা বন্ধ ছিল । শোক কাটিয়ে ওঠার পর আস্তে আস্তে গান বাজনা শুরু হল , দাদাভাই , মুরারী দা কলকাতায় গিয়ে গান শেখা শুরু করল , অশোকতরু বন্দোপাধ্যায় এর কাছে । কিন্ত হারিয়ে গেল গানে ভরা মঙ্গল বারের ওই সন্ধ্যা গুলো। শুধু আমার মনে রয়ে গেছেন মাস্টারমশাই সমরেশ চৌধুরি , শ্রদ্ধার সম্পর্ক হয়ে।

- অভ্র
দুপুর বেলা - ১৪ই মার্চ ২০২৩







Saturday, February 11, 2023

মরলে খবর নিস সেদিন

মরলে খবর নিস সেদিন
----------------------------- 

মরলে খবর নিস 
মরলে মানুষ পবিত্র হয়
আসলে মানুষ তখন ফুল হয়ে যায়,
ঝরে যাওয়া ফুল
কাল আমি ফুল হয়ে যাব
পুরোন শুখনো ফুল
বই এর পাতার মাঝে 
কিম্বা ওই গাছ এর নিচে
কুফ্রি যাবার সময় 
ওখানে তুই চুমু খেয়েছিলি
পাইন গাছের আড়ালে 
না আমি লিখবা না আর
নষ্ট আমি , আমার চোখ
অসুখে সাদা হয়ে গেছে
অ্যারিস্টটল এর মত
তবুও মানুষ চেনা হল না ||

-অভ্র
১১ নভেম্বর ২০২২

Thursday, February 2, 2023

স্মৃতিচারণ - ৫

স্মৃতিচারণ - ৫

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আজকাল অনেক কথা বিশেষ করে ছোটবেলার কথা খুব বেশি করে মনে পড়ে। ছোটবেলার সব স্মৃতি যে মিষ্টি মধুর ভাললাগার হবে ,এমনটা তো নয়। কিছু কিছু কথা এখন যখন মনে পড়ে ,তখন মনে হয় কি ভীষন বোকা ছিলাম তখন ( এখনও যে নই তা কিন্তু বলছি না ) ,তবে ফিরে দেখার একটা চেষ্টা করি এখন। কাল বিকাল থেকে কিছু কথা মনে পড়ছে , তোমরা হয়তো বলবে আদিখ্যেতা , বা লোক দেখানো কথা এসব। 

বেশ কিছদিন হল একটা উপলব্ধি বার বার করে হচ্ছে ,, মানুষ কে সময়োপযোগী হতে হয় ,আর না হলেই বিপদ । পিছিয়ে থাকলে অসুবিধা নেই , one may live in the past merrily,, উদাহরন স্বরুপ বলতে পারি যারা social media ব্যবহার করেন না তারা কি বেঁচে নেই , নাকি তাদের জীবনে কোন শান্তি নেই । কিন্তু সময়ের থেকে এগিয়ে থাকলে , মানে ভাবনা চিন্তা গুলো যদি বর্তমান এর থেকে এগিয়ে থাকে তাহলে সব থেকে বিপদ । না পারা যায় পিছিয়ে যেতে , না কাউকে বোঝানো যায় ভাবনা গুলো ,, এ এক ভীষন কষ্টের ব্যাপার। গ্যালিলিও, কোপারনিকাস , সবাই হয়তো এই কষ্ট পেয়েছেন, অসময়ে মৃত্যুও বরণ করেছেন । এই উপলব্ধিটা হল প্রায় তিন কুড়ি পেরিয়ে আসার । 

আমার ছোটবেলাটা আর পাঁচটা বাচ্চা ছেলেদের মত ছিল না । আমি আমাদের বংশের সব থেকে ছোট সন্তান আমার দাদারা দিদিরা অনেক বড় বড় ছিল । আমার নিজের সব থেকে বড় ভাই ছিল আমার থেকে ২৩ বছরের বড় । মেজদা ছিল ১৯ বছরের বড়। আর ছোড়দা ১৭ বছর , দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছিল যখন আমি ক্লাস থ্রি। এই রকম বাড়ির পরিবেশে আমি বড় হয়েছি । আমার দাদাভাই , মানে সব থেকে বড় দাদা ছিল অলরাউন্ডার। দাদাভাই কলেজে chemistry পড়াতো কিন্ত Photography, Cricket, গান বাজনা সব ব্যাপার এ সমান ভাবে পারদর্শী ছিলেন। পড়াশুনার  সাথে সাথে বাকি যা যা শিখেছি সবই দাদাভাই এর প্রচেষ্টায়। আজ ভাবলাম আমার ফোটোগ্রাফি নিয়ে কেরামতির গল্প একটু করি ।

ছোটবেলায় আমাদের স্কুলের সেশান জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর অবধি হত । বড়দিন এর আগেই রেসাল্ট ইত্যাদির পালা মিটে  যেত । তারপর পুরো ছুটি জুড়ে মজা । সেট ছিল ১৯৭০ সাল এর ডিসেম্বর , ক্লাস ২ শেষ হল । বড়দিন এর দুদিন আগে সন্ধ্যেবেলায় দাদাভাই একটা বাক্স আমার হাতে দিয়ে বলল " নে এবার নিজের মত করে শুরু কর " , আমি বেশ অবাক কি আছে বাক্সতে জানি না , সেদিন দাদার বন্ধু , আমাদের সবার প্রিয় রোজি দা মিটি মিটি হাসছে ( পুরো নাম ক্লিফারড রোজারিও , গোয়ানিস ক্যাথালিক , রোজি দার গল্প অন্য দিন) । বিছানার উপর বাবু হয়ে বসে খুব সাবধানে বাক্স টা খুলতে আমার চক্ষু ছানা বড়া , দেখি একটা ক্যামেরা , আগফা ক্লিক থ্রি , জীবনের প্রথম ক্যামেরা । সাথে একটা ১২০ ফিল্ম, খুব সম্ভবত ORWO NP 22 ছিল । পরের দিন ছাদ এ চন্দ্রমল্লিকার ছবি দিয়ে শুরু হল আমার ফোটোগ্রাফী চর্চা। তারপর আর থামিনি। সেবছর মানে ১৯৭১ সালে মা এর ঠাকুরবাড়ির বন্ধুরা সবাই মিলে পুরী বেড়াতে গিয়েছিল । আমিও গিয়েছিলাম সেই দলের সাথে । হাতে  ক্যামেরা , আমার প্রথম আউটডোর র‍্যাম্বলিং বলে কথা , আমি যতটা এক্সাইটেড , দাদাভাই তার চেয়েও বেশি বলল " খাতা নিয়ে আয় একটা " , দৌড়ে একটা পাতলা সাদা পাতার খাতা নিয়ে আমি হাজির। দাদাভাই এক এর পর এক ফ্রেম ( চৌকোনা ) বানিয়ে তাতে সমস্ত কম্পসিশন এঁকে দিল , " এই রকম ভাবে ছবি গুল তুলবি " , আমি দুটো রোল সেই কথা মত মেনে ছবি তুললাম , সমুদ্রের ছবি , পুরীর মন্দির এর ছবি , কোনারক , উদয় গিরি , খন্ডগিরি সব ক্যামেরা বন্দী হয়ে ফিরে এল চুঁচড়ায় । 

আজ সেই খাতাটা হারিয়ে গেছে , সেই নেগাটিভ গুলো দাদাভাই এর আর্কাইভ এ ছিল , আর ছবির অ্যালবাম ছিল মায়ের আলমারীতে, সে সব হয়ত আর খুজে পাব না, কিন্তু এখনও ,যখনি ল্যান্ডস্কেপ তোলার জন্য ভিউফাইন্ডারে চোখ রাখি ওই পাতলা খাতার সাদা পাতায় আঁকা ফ্রেম গুলো মনে পড়ে যায়। তখন থিওরি জানতাম না , দাদাভাই যা কিছু শিখিয়েছে, এমন ভাবেই শিখিয়েছে,  তাই হয়ত চিরকাল এর মত সে গুলো knowledge হয়ে মাথায় রয়ে গেছে । 

অভ্র
২রা ফেব্রুয়ারী ২০২৩

Friday, November 11, 2022

পুরনো ফুল


মরলে খবর নিস 
মরলে মানুষ পবিত্র হয়
আসলে মানুষ তখন ফুল হয়ে যায়,
ঝরে যাওয়া ফুল
কাল আমি ফুল হয়ে যাব
পুরোন শুখনো ফুল
বই এর পাতার মাঝে 
কিম্বা ওই গাছ এর নিচে
কুফ্রি যাবার সময় 
ওখানে তুই চুমু খেয়েছিলি
পাইন গাছের আড়ালে 
না আমি লিখবা না আর
নষ্ট আমি , আমার চোখ
অসুখে সাদা হয়ে গেছে
অ্যারিস্টটল এর মত
তবুও মানুষ চেনা হল না ||

-অভ্র
১১ নভেম্বর ২০২২

Monday, July 11, 2022

চিঠি ১ : বর্ষাকাল আর মা এর বানানো কাঁথা

জানিস ,

আমার মা ও কাঁথা সেলাই করত ।পুরোনো শাড়ী, বিছানার মোটা চাদর , আর তারপর সেগুলো সেলাই করত পাড়ের সুতো দিয়ে। বর্ষাকালে দুপুর বেলায় জানলার ধারে শুয়ে থাকতাম সেই কাঁথা গায়ে জড়িয়ে , আমার সিঙ্গেল খাট এর বিছানা ছিল জানলার ধরে । শুয়ে শুয়ে আকাশ দেখতাম , আস্তে আস্তে আকাশ কালো করে আসতো ,, আর আমি হারিয়ে যেতাম ওই কালো বৃষ্টি মেঘের মধ্যে ,, তারপর ঝম ঝম করে বৃষ্টি নামলে ,, জানলা বন্ধ না করে মুখে চোখে জলের ছাঁট উপভোগ করতাম,, এই সব কথা মনে পড়ে গেল তোর ছবিটা দেখে ।তার সাথে একরাশ ছেলেবেলার গন্ধ মনে পড়ে গেল।

পাশে অনিল মামাদের বাড়ী ,সামনে বাগান ছিল ,, শ্যাওলা পড়া মাটি আর অনেক গাছ ,কাঞ্চন মাধবীলতা , রঙ্গন ,,কৃষ্ণকলির ঝোপ ,দুটো নারকোল গাছ , সারি দিয়ে সুপারী গাছ আর দেয়াল ঘেঁষে ছিল একটা ডুমুর গাছ,, সেই সব গাছের পাতায় বৃষ্টির জল পড়ে নানা রকম শব্দ হতো ,, আলাদা আলাদা  গাছের পাতার উপর জল পড়ার শব্দ একদম আলাদা আলাদা হয় ,, আর সব মিলে মিশে যেন হয়ে উঠত symphony, আর শ্যাওলা পড়া মাটিতে জল পড়লে এক অন্য রকম গন্ধ পেতাম ,, সব হারিয়ে গেছে রে, এই নাগরিক জীবনযাপনের উদ্দীপনায় । তুই যখন মাদারীপুরের বাড়িতে যাস ,, আমিও সাথে সাথে ছেলেবেলায় ফিরে যাই ,, সত্যি রে ,,ছেলেবেলার স্মৃতি গুলোই এখন আমার বেঁচে থাকার সম্বল,পাথেয় । মানুষ বুড়ো হলে বোধহয় এমন করে অতীত এ ফিরে যেতে চায় ।

তুই একদিন বলেছিলি একটা চিঠি লিখতে ,, আজ লিখে ফেললাম ,,

ইতি
১২ই জুলাই ২০২২

Monday, June 20, 2022

বেনামী পরোয়ানা

বেনামী পরোয়ানা
--------

জেগে থাকি মোমের আলোয়
কারণ জ্যোৎস্না আমার সহ্য হয় না
গলে যাই অনন্ত সময় এর সাথে , l
সালভাদর দালির মত, শুকনো ডালে 
তুই ঝুলিয়ে রেখেছিস আমার সঞ্চয় এর 
সমস্ত মুহূর্ত গুলোকে, বলেছিলি
ভালোবাসা নাকি কোন কাপুরুষ নষ্ট মানুষের , 
জেগে ওঠা পুরুষাঙ্গের নীরব অঙ্গীকার।

গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে চাঁদ ,
ছন্দহীন ঢেউ এর তালে তালে
ছড়িয়ে যাবার চেষ্টা করে ছিল 
শেষবারের মত, তাও কুল খুঁজে পেল না ,
 ভাটার টানে তুই ছিলি অপেক্ষায় , উন্মুক্ত বক্ষে , বেঁধে রেখে শত সহস্র উন্মাদনা ,, 
আর ওই লাশকাটা ঘরে , হাসনুহানার গন্ধ মেখে
আমি শুয়ে ছিলাম  
আমার মৃতদেহ ওরা যাচাই করে দেখছিল ,
আমি না আমার শব দেহ , 
কে বেশি দোষী , আর তারপর 
ওরা লিখে দিল বেনামী এক
বেমানান পরোয়ানা।

তোর চোখের কোনে  , 
তবুও কেন 
অকারণ এক বিন্দু , জানি 
তুই আমাকে এখনো ঘৃনা করিস , 
তবে কি ঘৃনা ভালবাসার আর এক নাম ।

অভ্র
২০ শে জুন ২০২২