সে সুবাস ছড়িয়ে,,নিজে আড়ালে চলে গেল,, এদিকে বসন্ত বাতাস হাস্নুহানা ঘ্রানে মাতোয়ারা,,
দোল পুর্ণিমা অতিক্রান্ত হবার পর আজকের অরুনেশ্বর বের হয়েছে তখন নব্য কমলিকা এর খোঁজে। সে মনে মনে জানে কমলিকা বেশ একটু লাজুক, আর সেই সাথে আহ্লাদীও,, এ পাড়া সে পাড়া ঘুরে অনেক রাত এ রাজ প্রাসাদ এ ফিরে এলো অরুনেশ্বর। কুলদেবতার মন্দিরে রোজকার মত প্রণাম করে নিজ কক্ষে প্রবেশ করতেই সে অনুভব করল যে সে আজ এসেছে। তার ভালবাসার গন্ধে ভরে আছে অরুনেস্বরের আপন শয্যা কক্ষ, এ যেন কোন এক অসীম এর আহ্বান্,, ,
দুর দিগন্তে যেখানে মিসকালো আকাশের গায়ে তারা টিম টিম করে জ্বলছে, সেই সুদূরপানে দৃষ্টিবধ্য করে জানালা পার্শ্বে দাঁড়িয়ে ছিল কমলিকা , তার মনে সেই প্রশ্ন, ঈশ্বর যদি আমাদের কাছে আসার এভাবে সুযোগ করে দিলেন , তবে উনি অরুনেশ্বের কে এরকম কেন বানালেন ?
অরুনেশ্বর নিজের মনেই বলে উঠল ," এ সুবাস , এই ঘ্রাণ আমার মরমে মরমে , , , আজ এই ঘ্রাণ আত্মিকরন এর সময় এসেছে " , ধীর পদক্ষেপে সে এগিয়ে গেল , তার ভালবাসার ছবি আজ সে এঁকে দেবে কমলিকার অধরে ,
দুরে কথাও এক মাদলের তালে একদল মানুষ গান গাইছিল , আজকের অরুনেশ্বর আর কমলিকা এর হৃদস্পন্দন মিশে গেল সেই তালে তালে... চাঁদ তখন রক্তিম আভায় পুবআকাশে ...
অভ্র
জুলাই ২০১৭
নতুন শাপমোচনের অপেক্ষায় রইলাম।
ReplyDelete