Tuesday, February 9, 2021

শান্ত হবো আমি


শান্ত হবো আমি 
ওই বাঁশির সুরে 
আহির ভৈরবের মূর্ছনায়
শান্ত হবো আমি 
কুয়াশা মাখা ভোরে
ভেজা ওই কমলা সূর্যের আলোয়
শান্ত হবো আমি 
বাগানের সদ্য ফোটা 
হেলিকাশন ফুলের রঙের ছটায়,,,

হয়তো কোন এক ভোরের অপেক্ষায়
এখনো আমার হৃদপিন্ড ছন্দময়
সেই ভোরের স্বপ্নে , পায়ে পায়ে  আসিস  সেদিন , 
ভোরের লাল আলোয় , মন রাঙিয়ে
লাল ভালবাসা নিয়ে 
কথা দিলাম , আহির ভৈরবের সুরে
সেদিন শান্ত হয়ে যাব, 
কথা দিলাম , ভেসে যাব ওই মহা শূন্যে ,,,, 

অভ্র
১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২১

Thursday, December 17, 2020

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন

প্রতি বছরই এই দিনটা ফিরে ফিরে আসে , এ আর নতুন কি, বছরের অন্য দিনগুলো ও তো একই ভাবে ফিরে ফিরে আসে ,, কিন্তু আমার ছেলেকালের নানা স্মৃতি এই দিনটার সাথে জড়িয়ে আছে ,, আসলে জ্ঞান হবার সাথে সাথে রবি ঠাকুর তো আমার দিনযাপন এর সাথী। বর্ণ পরিচয় এর থেকে সহজ পাঠ আমার অনেক বেশি প্রেমের । তাই হয়ত বাংলা ভাষার চেয়ে বাংলা আমার প্রানের বেশি কাছের।

তখন খুবই ছোট ছিলাম , আমাদের বাইরের ঘরের দেয়াল এ বিশাল ছবি ছিল , একজন দাড়িওয়ালা জোব্বা পরা মানুষ । আমার বাবার কালেকশন, অবাক হয়ে দেখতাম , জানতাম না উনি কে । দেখতাম আজকের এই দিনটায় ওনার ছবিতে মালা পরিয়ে , ধুপ জ্বালিয়ে সবাই প্রণাম করত, আমিও করতাম ,, ভাবতাম হয়তো কোন দেবতা , একটু বড় হয়ে ওনার নাম জানলাম ,উনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । তখন ইস্কুলে যেতে শুরু করেছি , রোজ আরতি মিস কণিকা মিস অর্গান বাজিয়ে গান শোনাতেন ,, রবিঠাকুরের গান ,, গান গুলোর সাথে সাথে ছবি তৈরি হয়ে গিয়েছিল ,, আর নিজের অজান্তে ওই তিন বছরের আমি রবি বুড়োর সাথে জড়িয়ে গেলাম ,, উনি ঢুকে পড়লেন আমার সত্বায় । বুঝতে শুরু করলাম উনি কোন দেবতার চেয়ে কোন কোন অংশে কম নন ,, উনি রবি ঠাকুর ,,।

বাড়িতে ভীষণ ভাবে রবীন্দ্র চর্চা হত। আমার বড় দাদা গান করত , রবীন্দ্রনাথ সঙ্গীত , মাস্টারমশাই আসতেন, সবাই ওনাকে মাস্টারমশাই বলতেন , আমিও বলতাম ,, তখন আমার আর কত বয়স , ৪ বা ৫ হবে , গানের ক্লাস হত দাদাভাই , বৌদি, মুরারী দা , সরলা কাকিমা সবাই গান শিখত ,, আর আমি মাস্টারমশাই এর পাশে বসে থাকতাম । উনি অসাধারণ এক গুণী মানুষ ছিলেন , রবি ঠাকুরের সান্নিধ্য পাওয়া এক মানুষ , সমরেশ চৌধুরী । আমার জীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বীজ উনি বপন করেছিলেন । একদিন হঠাৎ করে উনি চিরকালের জন্য চলে গেলেন ,, আমি ছাদে গিয়ে লুকিয়ে খুব কেঁদেছিলাম সেদিন ।

তারপর কয়েকটা বছর কেটে গেল , দেখলাম দাদাভাই তখন গান শেখায় ,, আমিও কৈশোর এ প্রবেশ করেছি ,, আমি গলায় গান কোনোদিন গাইতে পারতাম না , কিন্তু শুনে শুনে কান তৈরী হয়ে উঠল আস্তে আস্তে , মনের মধ্যে সব সময় গান চলত । খুব ইচ্ছা হত নিজের গলায় একটু গান শুনি। দাদাভাই এর কাছে অনেক মেয়ে গান শিখতে আসত দূর দূর থেকে ,, তাই আমি লজ্জায় দাদাভাই কে বলতে পারতাম না । বাড়িতে একটা টেপ রেকর্ডার ছিল , মনে আছে stellaphone এর , লুকিয়ে টেপ রেকর্ডার এ রেকর্ড করে শুনতাম ,, ও চাঁদ তোমায় দোলা দেবে কে,, । গান গাওয়া হল না , হয়তো গলাও ছিল না ,, কিন্তু গান রয়ে গেল আমার ভেতরে ।

দাদাভাই অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাছে গান শেখা শুরু করল , ওনার রেকর্ড করা নানা গানের মধ্যে "আজ তোমারে দেখতে এলেম ,," খুব বিখ্যাত ছিল ,, আমার ছোট ছোট ভাইঝিরা ওনার নাম দিয়ে দিল আজ তোমারে জেঠু ,, বাড়ির বাকিরাও ওই নামেই ওনাকে রেফার করত । একবার উনি এলেন আমাদের বাড়িতে , কথায় কথায় আমাকে জিজ্ঞাসা করলাম আমি গান করি কিনা ? খুব লজ্জা পেয়ে না বলেছিলাম , "তাহলে কিছু বাজাও কি " ,,আমার মাথায় দুস্টুমি , হয়তো ডিফেন্স মেকানিজম ,, আমি বলেছিলাম " হ্যাঁ ,, আমি গ্রামোফোন বাজাই " ,, উনি খুব হেসেছিলেন আর আমি বাড়িতে মার খেতে খেতে বেঁচে ছিলাম । তার বছর দুই বাদে যেদিন আমার মাধ্যমিক এর রেজাল্ট বের হল , আমি আর দাদাভাই নৈহাটী যে ওনার অনুষ্ঠানে গিয়েছি , জানতামই না মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল বেরিয়ে গেছে ,, উনি তড়িঘড়ি করে ওনার তবলিয়া জহরদা কে পাঠালেন আমার ফল জেনে আসার জন্য ,, এমন সব মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে এসেছি ,, যোগসূত্র একটাই রবীন্দ্রসঙ্গীত ,,  

অভ্র
মে 2020

Sunday, November 15, 2020

স্মৃতিচারণ -২


সাল ২০০৬ - ২০০৮ , সেই সময়  কবিতা লেখা ,গান তৈরি করার একটা ভূত চেপেছিল আমার মাথায় , ওয়েব ম্যাগাজিন গুলোয় লিখতাম একটু আধটু । orkut এর যুগ তখন , আর yahoo chat room এর আড্ডা ,, এই সময় আলাপ হলো আমারই মত গান পাগল একটা মানুষের সাথে ,, তার নাম তিলক ,, সে গান করে ,, ইন্টারনেট এই কৃপায় আমার লেখা গান গুলো ওর কাছে পৌঁছে গেল , ও গেয়ে ফেলল ,, শুরু হয়ে গেল যৌথ উদ্যোগে , বেশ কয়েকটা গানও তৈরি হলো , নেট এ পপুলার ও হল , আমরা এক সাথে দু একটা অনুষ্ঠান ও করলাম কলকাতায় ,, তিলক এর গান সাথে আমার গিটার ।

আমার  বন্ধু রাজা তখন "গানের ফেরিওয়ালা" বলে একটা তিন ঘন্টার শো করে কলকাতার এক FM রেডিওতে । শো টা বেশ পপুলার ছিল,   শনিবার  দুপুর বেলা ১টা থেকে ৪টে , কথা ,কবিতা গান এর মেলবন্ধনে একটা সুন্দর উপস্থাপনা করত রাজা, বেশ ভাল লাগত শুনতে । আমরা ডাক পেলাম , একটা দুপুর আমার লেখা গান কবিতা নিয়ে রাজা গান এর ফেরিওয়ালা এর শো করবে । আমি তো বিহ্বল ,, গান গুলো গাইবে তিলক , সাথে আমার কবিতা , আমাদের নিজেদের কথা , আড্ডা । হাজির হলাম FM স্টেশন এ সপরিবার, দিন টা ছিল ১লা মে, 2010। আমার মত সাধারণ মানুষের জন্য এমন একটা ব্যাপার তো সব সময় ঘটে না , তাই অসীম উত্তেজনা । রেডিওতে প্রথম আমার কথা বলা , নিজের লেখা নিয়ে , কাজ নিয়ে চর্চা , তাও ঐরকম একজন পপুলার RJ এর সাথে । তা যাইহোক শুরু হলো অনুষ্ঠান ,, আমরা " On Air " হলাম । কথা বলছি , রাজা আমার কবিতা পড়ছে , তিলক গান করল , আমিও গলা মেলালাম , রাজা আরও সব গান বাজাচ্ছে । ভালোই চলছিল , একটা গান চালিয়ে দিয়ে রাজা বলল " গানটা শোন , আমি আসছি , একটা সারপ্রাইজ আছে ," বলে স্টুডিওর বাইরে গেল , দুমিনিট বাদে ফিরে এল , সাথে একজন অতিপরিচিত মানুষ , আমি তো তখন ভাষা হারিয়ে ফেলেছি , এই মানুষটা কে এত কাছ থেকে দেখা , তাও আবার আমার শো এর মাঝে । রাজা বলল " উনি আজ একটু বলবেন তোমাদের অনুষ্ঠানের মাঝে। আমার মনে পড়ছে না ঠিক সেদিন ছিল অপুর সংসারের এর রিলিজ এর বর্ষপূর্তির দিন ,, উনি নানা কথা , অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন । আমাদের অনুষ্ঠানের মান বাড়িয়ে দিলেন। আমাদের স্মৃতির মণিকোঠায় ১লা মে , ২০১০ দিনটা এক কোহিনুর হয়ে রয়ে গেল। শো কেমন হয়েছিল , হয়তো ভালোই,  কিন্তু ওই মানুষের সান্নিধ্য পাওয়ার অভিজ্ঞতা, সেটার তো কোন তুলনা কোনদিনই হবে না ।

আজ দুপুরে খবর পেলাম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আর নেই আমাদের মাঝে ,, তখন থেকে বার বার মনে পড়ে যাচ্ছে ওই মুহূর্ত , যখন উনি স্টুডিওর দরজা ঠেলে ঢুকলেন। একটা অধ্যায় শেষ হয়ে গেল, মনটা খুব খারাপ হয়ে আছে আজ,,

অভ্র
১৫ই নভেম্বর ২০২০

Tuesday, November 3, 2020

সম্পর্কনামা - 3

এই লেখাটা হারিয়ে গিয়েছিল ,, ২০১৩ -১৪ ওই সময়ের কথা , মোবাইলে চ্যাট করতে করতে লেখা , এক প্রিয়জন , এক ভালবাসার মানুষ , যত্ন করে খাতায় লিখে রেখেছিলেন ,, আদর করে , গত পরশু মধ্য যামিনীতে আমাকে পাঠিয়ে প্রশ্ন করলেন মনে পড়ে কিনা , আমি তখন নিদ্রাদেবীর সাথে নিশিযাপনে ব্যস্ত ,, গতকাল সকালে মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে সব থেকে আগে এটা নজরে এল ,, সাত বছর আগের কথা , সুদে আসলে মিলিয়ে  একরাশ ভাললাগা হটাৎ করে পেয়ে গেলাম,, 

উনি আমাকে হেমন্তের উপহার দিলেন ,, বেঁচে থাকার রসদ ,, ভালবাসা ,, উনি এমনই একজন মানুষ, ওনার কাছে আমার অনেক ঋণ ,, আর সেই ঋণ প্রতিদিন একটু একটু করে বেড়েই চলেছে,,



আমার আঙুলের আগায়
নাচে আজ ছুঁয়ে দেখার অদম্য ইচ্ছা 
"আকাশ " চুপ কেন ?
কাছে এসো , ছুঁয়ে দেখো 
অস্পৃশ্য ভালবাসা
আমার কালো আঙ্গুল , গর্ত করে দেবে 
তোমার পবিত্র মনে
এই আঙ্গুল , স্পর্শ করে 
তোমার অধরা অধর,
ওষ্ঠে তোমার ,রক্তিম ভালবাসা
ভালোবাসো , দাবি করো তুমি
কখনো ভেবেছো কি তুমি
এই নগ্ন ফেরিওয়ালা,
তার পসরা হারিয়েছে 
গত হাটের দিনে ।।

অভ্র 
8ঠা নভেম্বর 2020

Thursday, October 29, 2020

হয়তো একটা প্রেমের কবিতা


হয়তো একটা প্রেমের কবিতা
-----------

হয়তো সেদিন ,আকাশ জুড়ে
ভরে থাকবে অনেকটা নীল
হয়তো হঠাৎ করে দেখা হয়ে যাবে
ওই আকাশের নিচে , আমি জানি
কিন্তু জানি না ,কি কথা বলব সেদিন তোকে

হয়তো সেদিন, নীল সমুদ্রের ঢেউ
ভেঙে যাবে হলুদ তট রেখা
হয়তো হঠাৎ করে আমার হাতে হাত
ওই বালুচরে ,আমি জানি ,, ভাঙা ঢেউ
তবুও জানা নেই , কি বলে ডাকব সেদিন তোকে

হয়তো সেদিন , আকাশে লাল ঘুড়ি
ভেসে যায় পেট কাঠি চাঁদিয়াল,
হয়তো হঠাৎ করে অধরে একটু আদর
ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে ওই দূরত্ব, নতুন গন্ধে
তবুও জানি না ,কোন সুরে গান সেদিনশোনাবো তোকে

আকাশের রঙের মেখলা গায়ে , নতুন কবিতা হয়ে
ফিরে পাবে তোকে , হয়তো সেদিন ,,
তবুও আমি জানি , আমার কথার স্বরলিপি
ভেসে যাবে, তোর দেহের উষ্ণ অন্বেষণে
ভাষা ফিরে পেলে, নাহয় খুঁজে নেব
নতুন করে আবার , তোর ভালোবাসার তান।।।

অভ্র
২৯ শে অক্টোবর ২০২০

Saturday, October 17, 2020

স্মৃতিচারণ - ১ - বিজয়দার কথা

সারা জীবন ধরে আমরা সবাই এত টুকু খুশির খোঁজে দৌড়ে বেড়াই ,, ইংরেজিতে যাকে বলি in the quest of happiness, ,,আজকাল খুব চল হয়েছে একটা কথার ,,Great place to work  ,, Happiness in the workplace ইত্যাদি ইত্যাদি ,, আজ ঘুম ভাঙলো বিজয়দার কথা মনে করে ,একজন  হাসিখুশী মানুষ , যাকে দেখলে যে কোন গোমড়া মুখো গৌড় শাহ ও মুখ ভার করে থাকতে পারত না । এমনি একজন মানুষ কে আমি আমার কর্ম জীবনের শুরুতে পেয়েছিলাম ।

গত শতাব্দির শেষের দিকে , ১৯৮৫ সাল , বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে পাস করে বেরিয়ে একটা ছোট্ট ডিজাইন কন্সালটিং সংস্থায় কাজ নিয়েছি , আমি সেখানে কনিষ্ঠ তম ইঞ্জিনিয়ার, কিছু ড্রাফটসম্যান তারাও বয়েসে আমার চেয়ে বেশ বড় , সব মিলিয়ে বেশ একটা বাড়ী বাড়ী ব্যাপার । আর ছিল বিজয় দা , আজকাল আমরা অফিসে সবার জব রোল ইত্যাদি নিয়ে বড্ড মাতামাতি করি , সেই সময় এই মানুষ টা কত রকম কাজ যে করত অফিসের জন্য দোকান যাওয়া থেকে ড্রয়িং এর অ্যামোনিয়া প্রিন্ট , সব কিছু। বিজয় দার হাসিমুখ দেখে আমাদের রোজকার দিন শুরু হত । আমাদের অফিস ছিল ইন্ডিয়া এক্সচেঞ্জ প্লেস, চুঁচুড়া থেকে লোকাল ট্রেন এ হাওড়া , তারপর ফেরীতে নদী পার করে দৌড় , সময় এর মধ্যে সই না করলে লেট মার্ক । এই সব কসরত করে অফিস পৌঁছে , নিজের চেয়ার এ বসে একটু সামলে উঠতেই শুনতে পেতাম বিজয়দার গলা ,
" কই গো সব , ইঞ্জিনিয়ার বাবুরা , জল এনেছি , চাবায়ে খাও " ,
 হাতে ট্রে , ঢাকা দেওয়া কাঁচের গ্লাসে জল ,  আর এক মুখ হাসি , রোজ ঠিক সকাল ৯টা বেজে ১০ মিনিটে এই দৃশ্য ।  সারাদিন এর মন ভাল রাখার রসদ দিয়ে যেত বিজয় দা , দিনের শুরুতেই...

এর পর তিন দশকের বেশি সময় পেরিয়ে এসেছি , ওই সংস্থায় ছিলাম ১৯৮৮ সাল অবধি , যে কদিন ওখানে কাজ করেছি , একদিন এর জন্যও বিজয়দা কে দেখিনি যে মন মরা হয়ে আছেন , আমরা যারা ওখানে কাজ করতাম , সবাই আনন্দে থাকতাম । মাইনে , অফিস , কাজ সবের মধ্যে আনন্দ খুজে পেতাম । 

ওই চাকরির পর আরো ৪ জায়গায় কাজ করেছি , এখন ৫ম জায়গায় কাজ করছি , কিন্তু কোন জায়গায়  আর "বিজয় দা " কে ফিরে পাই নি , হয়ত বদলে যাওয়া সময় , বদলে যাওয়া মানশিক্তা, বদলে যাওয়া পদনাম , ওই আনন্দের ভাগ পেতে দেয় নি । 

অভ্রজিত
১৭ই অক্টোবর ২০২০