Tuesday, June 8, 2021
Wednesday, April 21, 2021
কথোপকথন , মনে মনে
কাজ মিটিযে নাও ,
কথা হবে তারপর
কথোপকথন , হয়তো বা মনে মনে ।
ফুল ও তো কথা বলে ,
তার গন্ধে , তার সুবাসে
তারপর ঝরে যায় ,,
জানলার কাঁচে , মানুষ
হয়ে যায় ছায়া মানুষ
ব্যস্ততা বয়ে যায়
তোমাদের কথা স্রোতে
আমি ডুবে যাচ্ছি
সময়ের গভীর আঁধারে
তোমার কথার ছবি
আমি গায়ে মেখে নিয়েছি
সেই পাড় ভাঙার কালে
স্বপ্ন আর দিগন্ত মিশে গেল
শেষ সূর্যাস্তের কমলায়
তুমি না হয় কাজ মিটিযে নাও ,
কথা হবে তারপর
কথোপকথন , হয়তো বা মনে মনে ।।
অভ্র
২১ শে এপ্রিল ২০২১
Friday, March 12, 2021
ভালবাসার গন্ধ
ভালবাসার গন্ধ
-----------
জানালা ওপারে দাঁড়িয়ে আছে
অনেক খানি আকাশ ভরা অন্ধকার
দূর নীহারিকা থেকে ভেসে আসা
এক ফোঁটা নীল আলো
কালপুরুষ নাকি রোহিনী
জানিনা ভালবাসার রং
ভেসে আসবে কিনা , নতুন ছন্দে
বলেছিলে ভালোবাসা খুঁজো
আমার গোলাপি ঠোঁটের গন্ধে
আমার গ্রীবার ঘ্রানে,
আমার নিটোল স্তনে
আজ , সূর্য ডোবার ক্ষনে
পলাশ রাঙা আকাশের আলোয়
পাশে এসো , তোমার ঠোঁটে
খুঁজে দেখি , যদি ফিরে পাই
তোমার ভালবাসার , উচ্ছিষ্ট ।।
অভ্র
১১ই মার্চ ২০২১
Tuesday, February 9, 2021
শান্ত হবো আমি
শান্ত হবো আমি
ওই বাঁশির সুরে
আহির ভৈরবের মূর্ছনায়
শান্ত হবো আমি
কুয়াশা মাখা ভোরে
ভেজা ওই কমলা সূর্যের আলোয়
শান্ত হবো আমি
বাগানের সদ্য ফোটা
হেলিকাশন ফুলের রঙের ছটায়,,,
হয়তো কোন এক ভোরের অপেক্ষায়
এখনো আমার হৃদপিন্ড ছন্দময়
সেই ভোরের স্বপ্নে , পায়ে পায়ে আসিস সেদিন ,
ভোরের লাল আলোয় , মন রাঙিয়ে
লাল ভালবাসা নিয়ে
কথা দিলাম , আহির ভৈরবের সুরে
সেদিন শান্ত হয়ে যাব,
কথা দিলাম , ভেসে যাব ওই মহা শূন্যে ,,,,
অভ্র
১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২১
Thursday, December 17, 2020
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন
প্রতি বছরই এই দিনটা ফিরে ফিরে আসে , এ আর নতুন কি, বছরের অন্য দিনগুলো ও তো একই ভাবে ফিরে ফিরে আসে ,, কিন্তু আমার ছেলেকালের নানা স্মৃতি এই দিনটার সাথে জড়িয়ে আছে ,, আসলে জ্ঞান হবার সাথে সাথে রবি ঠাকুর তো আমার দিনযাপন এর সাথী। বর্ণ পরিচয় এর থেকে সহজ পাঠ আমার অনেক বেশি প্রেমের । তাই হয়ত বাংলা ভাষার চেয়ে বাংলা আমার প্রানের বেশি কাছের।
তখন খুবই ছোট ছিলাম , আমাদের বাইরের ঘরের দেয়াল এ বিশাল ছবি ছিল , একজন দাড়িওয়ালা জোব্বা পরা মানুষ । আমার বাবার কালেকশন, অবাক হয়ে দেখতাম , জানতাম না উনি কে । দেখতাম আজকের এই দিনটায় ওনার ছবিতে মালা পরিয়ে , ধুপ জ্বালিয়ে সবাই প্রণাম করত, আমিও করতাম ,, ভাবতাম হয়তো কোন দেবতা , একটু বড় হয়ে ওনার নাম জানলাম ,উনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । তখন ইস্কুলে যেতে শুরু করেছি , রোজ আরতি মিস কণিকা মিস অর্গান বাজিয়ে গান শোনাতেন ,, রবিঠাকুরের গান ,, গান গুলোর সাথে সাথে ছবি তৈরি হয়ে গিয়েছিল ,, আর নিজের অজান্তে ওই তিন বছরের আমি রবি বুড়োর সাথে জড়িয়ে গেলাম ,, উনি ঢুকে পড়লেন আমার সত্বায় । বুঝতে শুরু করলাম উনি কোন দেবতার চেয়ে কোন কোন অংশে কম নন ,, উনি রবি ঠাকুর ,,।
বাড়িতে ভীষণ ভাবে রবীন্দ্র চর্চা হত। আমার বড় দাদা গান করত , রবীন্দ্রনাথ সঙ্গীত , মাস্টারমশাই আসতেন, সবাই ওনাকে মাস্টারমশাই বলতেন , আমিও বলতাম ,, তখন আমার আর কত বয়স , ৪ বা ৫ হবে , গানের ক্লাস হত দাদাভাই , বৌদি, মুরারী দা , সরলা কাকিমা সবাই গান শিখত ,, আর আমি মাস্টারমশাই এর পাশে বসে থাকতাম । উনি অসাধারণ এক গুণী মানুষ ছিলেন , রবি ঠাকুরের সান্নিধ্য পাওয়া এক মানুষ , সমরেশ চৌধুরী । আমার জীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বীজ উনি বপন করেছিলেন । একদিন হঠাৎ করে উনি চিরকালের জন্য চলে গেলেন ,, আমি ছাদে গিয়ে লুকিয়ে খুব কেঁদেছিলাম সেদিন ।
তারপর কয়েকটা বছর কেটে গেল , দেখলাম দাদাভাই তখন গান শেখায় ,, আমিও কৈশোর এ প্রবেশ করেছি ,, আমি গলায় গান কোনোদিন গাইতে পারতাম না , কিন্তু শুনে শুনে কান তৈরী হয়ে উঠল আস্তে আস্তে , মনের মধ্যে সব সময় গান চলত । খুব ইচ্ছা হত নিজের গলায় একটু গান শুনি। দাদাভাই এর কাছে অনেক মেয়ে গান শিখতে আসত দূর দূর থেকে ,, তাই আমি লজ্জায় দাদাভাই কে বলতে পারতাম না । বাড়িতে একটা টেপ রেকর্ডার ছিল , মনে আছে stellaphone এর , লুকিয়ে টেপ রেকর্ডার এ রেকর্ড করে শুনতাম ,, ও চাঁদ তোমায় দোলা দেবে কে,, । গান গাওয়া হল না , হয়তো গলাও ছিল না ,, কিন্তু গান রয়ে গেল আমার ভেতরে ।
দাদাভাই অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাছে গান শেখা শুরু করল , ওনার রেকর্ড করা নানা গানের মধ্যে "আজ তোমারে দেখতে এলেম ,," খুব বিখ্যাত ছিল ,, আমার ছোট ছোট ভাইঝিরা ওনার নাম দিয়ে দিল আজ তোমারে জেঠু ,, বাড়ির বাকিরাও ওই নামেই ওনাকে রেফার করত । একবার উনি এলেন আমাদের বাড়িতে , কথায় কথায় আমাকে জিজ্ঞাসা করলাম আমি গান করি কিনা ? খুব লজ্জা পেয়ে না বলেছিলাম , "তাহলে কিছু বাজাও কি " ,,আমার মাথায় দুস্টুমি , হয়তো ডিফেন্স মেকানিজম ,, আমি বলেছিলাম " হ্যাঁ ,, আমি গ্রামোফোন বাজাই " ,, উনি খুব হেসেছিলেন আর আমি বাড়িতে মার খেতে খেতে বেঁচে ছিলাম । তার বছর দুই বাদে যেদিন আমার মাধ্যমিক এর রেজাল্ট বের হল , আমি আর দাদাভাই নৈহাটী যে ওনার অনুষ্ঠানে গিয়েছি , জানতামই না মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল বেরিয়ে গেছে ,, উনি তড়িঘড়ি করে ওনার তবলিয়া জহরদা কে পাঠালেন আমার ফল জেনে আসার জন্য ,, এমন সব মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে এসেছি ,, যোগসূত্র একটাই রবীন্দ্রসঙ্গীত ,,
তখন খুবই ছোট ছিলাম , আমাদের বাইরের ঘরের দেয়াল এ বিশাল ছবি ছিল , একজন দাড়িওয়ালা জোব্বা পরা মানুষ । আমার বাবার কালেকশন, অবাক হয়ে দেখতাম , জানতাম না উনি কে । দেখতাম আজকের এই দিনটায় ওনার ছবিতে মালা পরিয়ে , ধুপ জ্বালিয়ে সবাই প্রণাম করত, আমিও করতাম ,, ভাবতাম হয়তো কোন দেবতা , একটু বড় হয়ে ওনার নাম জানলাম ,উনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । তখন ইস্কুলে যেতে শুরু করেছি , রোজ আরতি মিস কণিকা মিস অর্গান বাজিয়ে গান শোনাতেন ,, রবিঠাকুরের গান ,, গান গুলোর সাথে সাথে ছবি তৈরি হয়ে গিয়েছিল ,, আর নিজের অজান্তে ওই তিন বছরের আমি রবি বুড়োর সাথে জড়িয়ে গেলাম ,, উনি ঢুকে পড়লেন আমার সত্বায় । বুঝতে শুরু করলাম উনি কোন দেবতার চেয়ে কোন কোন অংশে কম নন ,, উনি রবি ঠাকুর ,,।
বাড়িতে ভীষণ ভাবে রবীন্দ্র চর্চা হত। আমার বড় দাদা গান করত , রবীন্দ্রনাথ সঙ্গীত , মাস্টারমশাই আসতেন, সবাই ওনাকে মাস্টারমশাই বলতেন , আমিও বলতাম ,, তখন আমার আর কত বয়স , ৪ বা ৫ হবে , গানের ক্লাস হত দাদাভাই , বৌদি, মুরারী দা , সরলা কাকিমা সবাই গান শিখত ,, আর আমি মাস্টারমশাই এর পাশে বসে থাকতাম । উনি অসাধারণ এক গুণী মানুষ ছিলেন , রবি ঠাকুরের সান্নিধ্য পাওয়া এক মানুষ , সমরেশ চৌধুরী । আমার জীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বীজ উনি বপন করেছিলেন । একদিন হঠাৎ করে উনি চিরকালের জন্য চলে গেলেন ,, আমি ছাদে গিয়ে লুকিয়ে খুব কেঁদেছিলাম সেদিন ।
তারপর কয়েকটা বছর কেটে গেল , দেখলাম দাদাভাই তখন গান শেখায় ,, আমিও কৈশোর এ প্রবেশ করেছি ,, আমি গলায় গান কোনোদিন গাইতে পারতাম না , কিন্তু শুনে শুনে কান তৈরী হয়ে উঠল আস্তে আস্তে , মনের মধ্যে সব সময় গান চলত । খুব ইচ্ছা হত নিজের গলায় একটু গান শুনি। দাদাভাই এর কাছে অনেক মেয়ে গান শিখতে আসত দূর দূর থেকে ,, তাই আমি লজ্জায় দাদাভাই কে বলতে পারতাম না । বাড়িতে একটা টেপ রেকর্ডার ছিল , মনে আছে stellaphone এর , লুকিয়ে টেপ রেকর্ডার এ রেকর্ড করে শুনতাম ,, ও চাঁদ তোমায় দোলা দেবে কে,, । গান গাওয়া হল না , হয়তো গলাও ছিল না ,, কিন্তু গান রয়ে গেল আমার ভেতরে ।
দাদাভাই অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাছে গান শেখা শুরু করল , ওনার রেকর্ড করা নানা গানের মধ্যে "আজ তোমারে দেখতে এলেম ,," খুব বিখ্যাত ছিল ,, আমার ছোট ছোট ভাইঝিরা ওনার নাম দিয়ে দিল আজ তোমারে জেঠু ,, বাড়ির বাকিরাও ওই নামেই ওনাকে রেফার করত । একবার উনি এলেন আমাদের বাড়িতে , কথায় কথায় আমাকে জিজ্ঞাসা করলাম আমি গান করি কিনা ? খুব লজ্জা পেয়ে না বলেছিলাম , "তাহলে কিছু বাজাও কি " ,,আমার মাথায় দুস্টুমি , হয়তো ডিফেন্স মেকানিজম ,, আমি বলেছিলাম " হ্যাঁ ,, আমি গ্রামোফোন বাজাই " ,, উনি খুব হেসেছিলেন আর আমি বাড়িতে মার খেতে খেতে বেঁচে ছিলাম । তার বছর দুই বাদে যেদিন আমার মাধ্যমিক এর রেজাল্ট বের হল , আমি আর দাদাভাই নৈহাটী যে ওনার অনুষ্ঠানে গিয়েছি , জানতামই না মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল বেরিয়ে গেছে ,, উনি তড়িঘড়ি করে ওনার তবলিয়া জহরদা কে পাঠালেন আমার ফল জেনে আসার জন্য ,, এমন সব মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে এসেছি ,, যোগসূত্র একটাই রবীন্দ্রসঙ্গীত ,,
অভ্র
মে 2020
Sunday, November 15, 2020
স্মৃতিচারণ -২
সাল ২০০৬ - ২০০৮ , সেই সময় কবিতা লেখা ,গান তৈরি করার একটা ভূত চেপেছিল আমার মাথায় , ওয়েব ম্যাগাজিন গুলোয় লিখতাম একটু আধটু । orkut এর যুগ তখন , আর yahoo chat room এর আড্ডা ,, এই সময় আলাপ হলো আমারই মত গান পাগল একটা মানুষের সাথে ,, তার নাম তিলক ,, সে গান করে ,, ইন্টারনেট এই কৃপায় আমার লেখা গান গুলো ওর কাছে পৌঁছে গেল , ও গেয়ে ফেলল ,, শুরু হয়ে গেল যৌথ উদ্যোগে , বেশ কয়েকটা গানও তৈরি হলো , নেট এ পপুলার ও হল , আমরা এক সাথে দু একটা অনুষ্ঠান ও করলাম কলকাতায় ,, তিলক এর গান সাথে আমার গিটার ।
আমার বন্ধু রাজা তখন "গানের ফেরিওয়ালা" বলে একটা তিন ঘন্টার শো করে কলকাতার এক FM রেডিওতে । শো টা বেশ পপুলার ছিল, শনিবার দুপুর বেলা ১টা থেকে ৪টে , কথা ,কবিতা গান এর মেলবন্ধনে একটা সুন্দর উপস্থাপনা করত রাজা, বেশ ভাল লাগত শুনতে । আমরা ডাক পেলাম , একটা দুপুর আমার লেখা গান কবিতা নিয়ে রাজা গান এর ফেরিওয়ালা এর শো করবে । আমি তো বিহ্বল ,, গান গুলো গাইবে তিলক , সাথে আমার কবিতা , আমাদের নিজেদের কথা , আড্ডা । হাজির হলাম FM স্টেশন এ সপরিবার, দিন টা ছিল ১লা মে, 2010। আমার মত সাধারণ মানুষের জন্য এমন একটা ব্যাপার তো সব সময় ঘটে না , তাই অসীম উত্তেজনা । রেডিওতে প্রথম আমার কথা বলা , নিজের লেখা নিয়ে , কাজ নিয়ে চর্চা , তাও ঐরকম একজন পপুলার RJ এর সাথে । তা যাইহোক শুরু হলো অনুষ্ঠান ,, আমরা " On Air " হলাম । কথা বলছি , রাজা আমার কবিতা পড়ছে , তিলক গান করল , আমিও গলা মেলালাম , রাজা আরও সব গান বাজাচ্ছে । ভালোই চলছিল , একটা গান চালিয়ে দিয়ে রাজা বলল " গানটা শোন , আমি আসছি , একটা সারপ্রাইজ আছে ," বলে স্টুডিওর বাইরে গেল , দুমিনিট বাদে ফিরে এল , সাথে একজন অতিপরিচিত মানুষ , আমি তো তখন ভাষা হারিয়ে ফেলেছি , এই মানুষটা কে এত কাছ থেকে দেখা , তাও আবার আমার শো এর মাঝে । রাজা বলল " উনি আজ একটু বলবেন তোমাদের অনুষ্ঠানের মাঝে। আমার মনে পড়ছে না ঠিক সেদিন ছিল অপুর সংসারের এর রিলিজ এর বর্ষপূর্তির দিন ,, উনি নানা কথা , অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন । আমাদের অনুষ্ঠানের মান বাড়িয়ে দিলেন। আমাদের স্মৃতির মণিকোঠায় ১লা মে , ২০১০ দিনটা এক কোহিনুর হয়ে রয়ে গেল। শো কেমন হয়েছিল , হয়তো ভালোই, কিন্তু ওই মানুষের সান্নিধ্য পাওয়ার অভিজ্ঞতা, সেটার তো কোন তুলনা কোনদিনই হবে না ।
আজ দুপুরে খবর পেলাম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আর নেই আমাদের মাঝে ,, তখন থেকে বার বার মনে পড়ে যাচ্ছে ওই মুহূর্ত , যখন উনি স্টুডিওর দরজা ঠেলে ঢুকলেন। একটা অধ্যায় শেষ হয়ে গেল, মনটা খুব খারাপ হয়ে আছে আজ,,
অভ্র
১৫ই নভেম্বর ২০২০
Tuesday, November 3, 2020
সম্পর্কনামা - 3
এই লেখাটা হারিয়ে গিয়েছিল ,, ২০১৩ -১৪ ওই সময়ের কথা , মোবাইলে চ্যাট করতে করতে লেখা , এক প্রিয়জন , এক ভালবাসার মানুষ , যত্ন করে খাতায় লিখে রেখেছিলেন ,, আদর করে , গত পরশু মধ্য যামিনীতে আমাকে পাঠিয়ে প্রশ্ন করলেন মনে পড়ে কিনা , আমি তখন নিদ্রাদেবীর সাথে নিশিযাপনে ব্যস্ত ,, গতকাল সকালে মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে সব থেকে আগে এটা নজরে এল ,, সাত বছর আগের কথা , সুদে আসলে মিলিয়ে একরাশ ভাললাগা হটাৎ করে পেয়ে গেলাম,,
উনি আমাকে হেমন্তের উপহার দিলেন ,, বেঁচে থাকার রসদ ,, ভালবাসা ,, উনি এমনই একজন মানুষ, ওনার কাছে আমার অনেক ঋণ ,, আর সেই ঋণ প্রতিদিন একটু একটু করে বেড়েই চলেছে,,
আমার আঙুলের আগায়
নাচে আজ ছুঁয়ে দেখার অদম্য ইচ্ছা
"আকাশ " চুপ কেন ?
কাছে এসো , ছুঁয়ে দেখো
অস্পৃশ্য ভালবাসা
আমার কালো আঙ্গুল , গর্ত করে দেবে
তোমার পবিত্র মনে
এই আঙ্গুল , স্পর্শ করে
তোমার অধরা অধর,
ওষ্ঠে তোমার ,রক্তিম ভালবাসা
ভালোবাসো , দাবি করো তুমি
কখনো ভেবেছো কি তুমি
এই নগ্ন ফেরিওয়ালা,
তার পসরা হারিয়েছে
গত হাটের দিনে ।।
অভ্র
8ঠা নভেম্বর 2020
Subscribe to:
Posts (Atom)