Saturday, September 23, 2017

নেশা মুখের দল , , সেদিন

মানুষ চেনার পালা , মানুষ জানার পালা বোধহয় নতুন করে আবার শুরু হল । চারপাশে কত মুখ , মেঘের মত ভেসে ভেসে আসে, আছড়ে পড়ে মুখের উপর , মুখ মেঘের ঝাপটায় ভিজে যায় আমার মুখ , আমার মন । আজকাল দেখছি এক নতুন নেশা পেয়ে বসেছে । না না পেয়ে বসেছে বললে কম বলা হবে , আসলে প্রায়শঃই  লক্ষ্য করছি যে সময়ে অসময়ে সেই নেশায় কেমন যেন বুঁদ হয়ে থাকছি। কোন কারণ নেই , অকারণেই সেই মুখগুলোর সাথে কথা বলা শুরু হয়ে যাচ্ছে । বেশীর ভাগই অচেনা মুখ তারা …।

জানলার অপারের মাঠে কদিন ধরেই ভীষণ রোদ্দুর , তাই মাঠের আকাশে ভেসে থাকা মুখ গুলোর বেশ নাজেহাল অবস্থা। এই রকম এক গ্রীষ্মের সকালে ঘুম ভাঙল ওই নাজেহাল মুখ গুলোর সাথে, , অচেনা অজানা , অনামিকা মুখের দল। ওদের চোখের তারায় ওদের মন উপচে পড়ছিল , কিন্তু সে ভাষা বোঝার ক্ষমতা আমার ছিল না । পড়ে পড়ে খানিক মার ও খেলাম ; নেশাতুর মানুষের আর কি কন উপায় হয় …

গায়ের চাদরটা টেনে নিয়ে আবার ডুবে যেতে থাকলাম অতলান্ত সমুদ্রে, ঘন  নীল সে গভীরে । ডুবে যেতে যেতে শুনলাম একটা মুখ দুর থেকে উচ্চ স্বরে  বলছে  “ ভাল করে ডুবতে পারলে অনেক খানি নেশা গায়ে মাখা যায় … ডুবে যাও ডুবে যাও … আর ডুবে যাও  । “ আমি ডুবছি , আমি ডুবে যাচ্ছি , সাথে সাথে নামছে শত সহস্র ভাসমান মুখ ………


মিলের ভোঁ বেজে উঠতে আমার চটকা ভেঙে গেল । সমুদ্র নেই , গভীর নেই , আকাশ নেই , মাঠ নেই , রোদ্দুর নেই… ওই আকাশহীন দিগন্তে দেখলাম মুখের দল ভেসে চলে গেল অন্য আকাশে …।।


- অভ্র 
সেপ্টেম্বর ২০১৭

Saturday, August 19, 2017

আমি অ উ ব




আমি অ উ ব

অজানা উড়ন্ত বস্তু হয়ে সেই রাতে 
আমি ছিটকে পড়েছিলাম, জঙ্গলে 
ক্ষত ছিল মনের একোনে সেকোনে
হাওয়ার সাথে সাথে পিছু নিয়েছিলে 
বনপ্রান্তে কোন জলকন্যার
উষ্ণ স্পর্শ যেন না পাই, তবুও 
তুমি পারলে না শেষ রক্ষা করতে
মহাজাগতিক উষ্ণতায় শুকিয়ে গেল 
বন প্রান্তের শান্ত নদী , উন্মুক্ত হল 
তার পার্থিব নগ্নতা, উমুক্ত হল সে 
অতৃপ্ত যৌবনা, স্তোক নম্রা সময়
ভরা শ্রাবণের কালোয় মাখামাখি
হয়ে লুকিয়ে রেখেছিল সে তার স্নিগ্ধতা ।

আজ বিকালের শেষে, অঝোরে বৃষ্টি নেমেছে
জানি তুমি ধুয়ে যাচ্ছ , তুমি আজ পুণ্য স্নাতা 
আমি এখন অজানা উড়ন্ত বস্তু হয়ে শুয়ে আছি 
সেই আদিম অপেক্ষায় , আজ জঙ্গলে 
কোন গাছ আর বেঁচে নেই , শুধুই 
এক রাশ বাড়িঘর, আর সারি সারি বিছানা ।।

  • অভ্র
অগাস্ট ২০১৭



Friday, August 18, 2017

অন্ধকার ছোট হয়ে আসে

অন্ধকার ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকারে বৃত্তের মাঝে ।

পরকীয়া স্বপ্নে আমার অন্ধকার ছোট হয়ে আসে
বৃত্তাকারে ক্রমশ প্রশ্নময় অতলান্ত বৃত্তে 
তার মাঝে এক ছোট বৃত্ত, আমার আঁধার 
ছোট হয়ে আসে , আমার নেশাতুর স্বত্বায়
যত ভালবাসি তোকে, 
অন্ধকার ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকারে , বৃত্তের মাঝে।

ক্রমশ লাল হয়ে ওঠে অন্ধকার,
তোর ভালবাসার রঙে
আমার রক্তের মৃত্যু হয়ে 
কালো আঁধার
অন্ধকার ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকারে, বৃত্তের মাঝে ।

অন্ধকার ছায়া খোঁজে অবিরাম , আপন শরীরে
অন্ধকার ক্রমশ ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকারে , বৃত্তের মাঝে
আদিম লাল বৃত্ত , কালো হল 
ভালবাসা পেল আন্ধকার, 
তোর নীল রক্ত ভালবাসতে শিখল
বৃত্তাকার অন্ধকারে, অকারণে ।

অন্ধকার ছোট হয়ে আসে , আমার পায়ের নিচে
আমি নতুন করে নেশা মাখি 
গায়ে মাথায় , আমার যৌন স্বত্বায় 
বৃত্তাকার নেশা , অ্যারো গভীর হল
অন্ধকার ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকারে বৃত্তের মাঝে ।

পুরনো কাঁচের গ্লাস , পুরাতন ঠোঁটের 
নতুন ছোঁয়ায় রঙ্গিন হল
বৃত্তের মাঝে পরকীয়া লাল ঠোঁট 
ভিজিয়ে দিল , আমার নতুন স্বপ্ন
শেষ ঘুমের বৃত্তাকার অন্ধকার স্বপ্নে
অন্ধকার ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকারে বৃত্তের মাঝে ।

আলো ছিল বৃত্তের বুকের মাঝে বৃত্তাকারে 
অচেনা জানলা ছিল আকাশের গায়ে আঁকা 
ক্রমশ সময় অতিক্রম করল চৌকাঠ
বৃত্তাকার ভালবাসা , ছোট হয়ে আসে 
জানলা পারের বিছানায় , অকারাণে
অন্ধকার ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকারে বৃত্তের মাঝে ।

অন্ধকারের শেষ যাত্রার যাত্রীরা ফিরে এল 
বৃত্তাকার নন্তুন বৃন্দ গানের  ভালবাসায়
প্রশ্ন করো, আমি  যে এক অক্ষম ভালবাসা 
তবু অন্ধকার ছোট হয়ে আসে বৃত্তাকারে বৃত্তের মাঝে ।

 -- অভ্র
অগাস্ট , ২০১৭


তুমি উষ্ণতা দাও





তুমি উষ্ণতা দাও 


তুমি উষ্ণতা দাও 
আমি তোমাকে গান দেব
আমার বেগুনী স্বপ্নের নেশায় 
তোমাকে নতুন সুর দেব ।

যদি প্রশ্ন করো উষ্ণতা কি রঙে রাঙা
রইল উত্তর তোমার চোখের ভাষায়
আমি বলি আকাশ দেখো হেমন্তের সূর্যাস্তে
বিষণ্ণ আভায় খুঁজে নিয়ো সেই আভা ।

তখন আমি সেই উষ্ণতা বিষণ্ণ  রঙে 
ছবি আঁকব মেঘের গায়ে, ইচ্ছামতী জলে
তুমি জান হয়তো ,রাতের আকাশের বুকে 
রোহিণী আজও খোঁজে তার ভালবাসা ।।

  • অভ্র
আগাস্ট ২০১৭


Wednesday, August 16, 2017

আমার নিয়ম উল্টো

SINGLE MOLTO

আমার নিয়ম উলটো
সন্ধেবেলা হিসেব করে
গিলছি single molto
তার সাথে অল্প সল্প
কাবাব, বাদাম, গল্প

মন যে বলে ,কিন্তু মশাই
অভাব সেটার বড়ই
জিগাই তারে , কাঁদিস ক্যানে
প্রয়োজন কি তা বল
কোমড় বেঁধে আনবো ধরে
মোছ রে চোখের জল
কথা শুনে মনের মুুখে
ফুটলো হাসি
দুঃখ গেল গয়া কাশী
গানের জোয়ার ভাসিয়ে দিয়ে
সবাই হল উন্মত্ত ।

আমি তখন চুকচুকিয়ে
গিলছি single molto ||

অভ্র
আগস্ট 2017

Tuesday, August 1, 2017

গানের ছবি - ১

  ... এটা খুব সত্যি যে সব গানের একটা ছবি থাকে , একটা গন্ধ থাকে , আর এই ছবিগুলো আর গন্ধগুলো একদম নিজস্ব , নিজের অনুভূতি । তাই প্রতিটা সাধারণ মানুষের মত আমারও সেরকম কিছু গন্ধ, কিছু ছবি , কিছু অনুভূতি , মনের মধ্যে খুব সযত্নে রেখে দিয়েছি , শুধু রেখে দিয়েছি বললে ভুল হবে , সযত্নে লালন পালন করেছি বলা উচিত। কোন গান শুনে তোমার মনে হল যে এক ভীষণ উত্তাল এক সমুদ্র , আমার মনে হতেই পারে এ যেন এক মুক্তকেশী নারী। এই রকম সব ব্যাপার স্যাপার নিয়ে সেদিং কথা হচ্ছিল । হুড়মুড় করে একরাশ স্মৃতি তারা করে এলো । সে নস্টালজিয়াই হোক বা জিয়া নস্টালই হোক , মনকে কি আর বেঁধে রাখা যায় , সে ফিরে চলল ১৯৬৬ এর জানুয়ারি মাস । কি নাম স্কুল এর , কেউ খেয়াল রাখে নি , সবাই পঞ্চানন তলায় চারু বাবুর নার্সারি স্কুল বলেই জানত, সেই স্কুলে মা নিয়ে গিয়ে আমায় ভরতি করে দিল । আমার তখন বয়েস তিন, জীবনের প্রথম স্কুল , সবারই তো এমন টাই হয় , এ আর নতুন কি !! কিন্তু না , আমার ক্ষেত্রে গল্পটা অন্য রকম হবার ছিল , প্রথম দিন স্কুল , সেই ছবিটার সাথে মিশে গেল একটা গান ... "খর বায়ু বয় বেগে ...।" অর্গান বাজিয়ে গান শোনালেন আরতি মিস , assembly room , তার এক পাশে মেহগিনি রং এর পুরনো প্যাডেল অর্গান । সারা জীবনের মত ওই ছবি ছাপা হয়ে গিয়েছিল সেদিন ...

 পরবর্তী কালে বড় হলাম , ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করলাম , চাকরি হল , বিবাহিত জীবন এ প্রবেশ করলাম , আরতি মিস খোঁজ নেবার অনেক চেষ্টা করেছি , পাই নি ... পরে জেনেছিলাম উনি মানাসিক ভারসাম্য হারিয়েছিলেন , এখন জানিনা উনি বেঁচে আছেন কিনা , বেঁচে থাকলেও হয়ত অনেক বয়েস হয়ে গেছে ... কিন্তু   আজও যখন শুনি ওই গান টা , আমার চোখের সামনে সেই ছবিটা ভেসে ওঠে ... আরতি মিস আর পুরনো অর্গান এর ঝলমলে আওয়াজ ... আর রবি ঠাকুর এর  গান "খর বায়ু বয় বেগে ...।" আমরা কেউ আসলে বড় হতে চাই না ... 

Friday, July 7, 2017

আজকের অরুণেশ্বর এর কথা

সে সুবাস ছড়িয়ে,,নিজে আড়ালে চলে গেল,, এদিকে বসন্ত বাতাস হাস্নুহানা ঘ্রানে মাতোয়ারা,,

দোল পুর্ণিমা অতিক্রান্ত হবার পর আজকের অরুনেশ্বর বের হয়েছে তখন নব্য কমলিকা এর খোঁজে। সে মনে মনে জানে কমলিকা বেশ একটু লাজুক, আর সেই সাথে আহ্লাদীও,, এ পাড়া  সে পাড়া ঘুরে অনেক রাত এ রাজ প্রাসাদ এ ফিরে এলো অরুনেশ্বর। কুলদেবতার মন্দিরে রোজকার মত প্রণাম করে নিজ কক্ষে প্রবেশ করতেই  সে অনুভব করল যে সে আজ এসেছে। তার ভালবাসার গন্ধে ভরে আছে অরুনেস্বরের আপন শয্যা কক্ষ, এ যেন কোন এক অসীম এর আহ্বান্,, ,

দুর দিগন্তে যেখানে মিসকালো আকাশের গায়ে তারা টিম টিম করে জ্বলছে, সেই সুদূরপানে দৃষ্টিবধ্য করে জানালা পার্শ্বে দাঁড়িয়ে ছিল কমলিকা , তার মনে সেই প্রশ্ন, ঈশ্বর যদি আমাদের কাছে আসার এভাবে  সুযোগ করে দিলেন , তবে উনি অরুনেশ্বের কে এরকম কেন বানালেন ?

অরুনেশ্বর নিজের মনেই বলে উঠল ," এ সুবাস , এই ঘ্রাণ আমার মরমে মরমে , , , আজ এই ঘ্রাণ আত্মিকরন এর সময় এসেছে " , ধীর পদক্ষেপে সে এগিয়ে গেল , তার ভালবাসার ছবি আজ সে এঁকে দেবে কমলিকার অধরে ,

দুরে কথাও এক মাদলের তালে একদল মানুষ গান গাইছিল , আজকের অরুনেশ্বর আর কমলিকা এর হৃদস্পন্দন মিশে গেল সেই তালে তালে... চাঁদ তখন রক্তিম আভায় পুবআকাশে ...

অভ্র
জুলাই ২০১৭

Tuesday, February 28, 2017

আমার বাড়ী - ১

বেশ কদিন ধরে ছেলেকাল এর স্মৃতি গুলো বার বার করে আনাগোনা করেই চলেছে,,  খুবই মুস্কিল এর ব্যাপার,, গ্রীষ্মের দুপুরে ছাদের লান্ডিং এ বসে আকাশ দেখা,,  কিম্বা বর্ষাকালে জল ছপ ছপ করে স্কুল থেকে ফিরে মাএর কাছে কান মোলা খাওয়া,,  এই সব নানা কথা মনে পড়ে যাচ্ছে,,  এটা হয়তো বয়েস বাড়ার লক্ষন,,  তাই ভাবলাম আমার স্মৃতি গুলো শেয়ার করি, আমার জীবনের স্মৃতি ( অবশ্যই জীবনস্মৃতি বলার ধৃষ্টতা আমার নেই)..

ছেলে কাল এর কথা গুলো ভাবছিলাম,,  আমাদের বাড়ি ,,  তখন কয়লার উনুন ছিল আমাদের বাড়িতে,,  আমি মর্নিং স্কুল এ পড়ি তখন,,  তোলা উনুনে আঁচ দেওয়া ব্যাপার টা আমার কাছে খুব একটা স্কিল এর ব্যাপার ছিল,, বামুন দি আসত বিকেল তিনটের সময়,, তোলা উনুনু এ আঁচ দিত,,  খুব কৌতূহল,,  গোবরের ঘুঁটে সাজিয়ে,  একটু কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগানো,, তারপর কয়লা চাপানো,,  গল গল করে অনেক ধোঁওয়া,,আর তার একটু বাদে গনগনে লাল আগুন,,   কেন জানি না আমার এই উনুন এ আগুন জ্বালানো ব্যাপারটা খুব টেকনিকাল লাগত,, তাই বামুনদি এর কাছে শিখে   নিলাম উনুনে আঁচ দেওয়া,,  তখন আমার বয়েস ৯.. পরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় বুঝলাম তোলা উনুন ব্লাস্ট ফার্নেস এর মিনিয়েচার সংস্করণ, ,,অবশ্য  ওই উনুন নিয়ে আদিখ্যেতার অন্য একটা কারণ ছিল,, গুলতির জন্য পোড়া মাটির গুলি বানানো,,  গঙ্গা ধার থেকে এঁটেল মাটি এনে,গুলি বানিয়ে শুকিয়ে নিয়ে তোলা উনুন এ ফেলে দিতাম,,,  পরের দিন গুলি গুলো সিন্টার্ড হয়ে পাক্কা প্রোজেক্টাইল হয়ে যেত,, তখন কি ছাই জানতাম এটা একটা সেরামিক প্রসেস,, সে যাই হোক ওই গুলী গুলো দিয়ে শীল বাড়ীর  আমড়া গাছ থেকে  পাকা আমড়া পাড়তে খুব সুবিধা হত,,

এরকম কত যে গল্প,, লিখতে সেভাবে পারি না,,  আর পেরেও উঠি না,,  না হলে হয়ত মোটা মোটা বই লিখে ফেলতাম,,

Saturday, February 25, 2017

ইচ্ছামত ইচ্ছামতী

ইচ্ছামত ইচ্ছামতী নদীজল
ঢেউ হয়ে এসেছিল,
অকারণে ভেঙেছিল পাড়
ভেসেছিল অস্থির ঠিকানা
খড়কুটো ভেসে গিয়েছিল
মেঘছায়া মাতাল হল

উন্মাদ মন,অঝোর বৃষ্টিতে
চোখের পাতায় ছিল মেঘ,
মেঘের ঘনঘটা মিথ্যাচার
কিম্বা মিথ্যাচারণ,
কেন মুছে দিল
মেঘের শেষ জলছবি।।

-অভ্র
মার্চ ২০১৬

Wednesday, February 22, 2017

সাদার্ণ এ্যাভিন্যু

শহরে হৃদয় জ্বলে অকারণে,
জোনাকি আলো দেয়
কোলকাতা প্রান্তরে-
ভালবাসা প্রগলভতা পেল
সাদার্ন এভেনিউ জাংশানে।
"তুই নাকি ওদের দলে!
বিদেশী ভালবাসা
কেমন খেতে!
আমাকে বলে দিস।,"
একগোছা রজনীগন্ধা
হাতে নিয়ে বললাম;
ভালবাসা ভেসে গেল
ইচ্ছামতী জলে।

--অভ্রজিত দে।
জুন ২০১৬

Monday, February 20, 2017

যাই হারিয়ে

যাই হারিয়ে
----++++++++

চোখে পাতায়, বৃষ্টি ফোঁটা
মন আগুনে, মনের কোনায়
মন জ্বলে যায়, মন জ্বলে যায়
চায় সে ছুঁতে, মনের ভাষা
আদর মাখা, ঠোঁটের নেশায়
হোক না পাগল, ইচ্ছামতী
দোষ কি তাতে, মন যে মাটি
মাটির উপর, মাঠের ধারে
নীলাপানা সেই আকাশ পাড়ে
জ্যোৎস্না ভাসে, ফাগুন মাসে
আয়না রে তুই, আয়না রে আজ
মাঠ পেরিয়ে, রাতের শেষে
চল দুজনায়,যাই হারিয়ে।।

-অভ্রজিৎ
২০শে ফেব্রুয়ারি ২০১৭

অকারণে কিছু কিছু

আজ থেকে প্রায় এক বসন্ত আগে কি করে যেন আমার কলমটা আমি ভেঙে ফেলেছিলাম তারপর থেকে নানা রকম এর কাগজের পাতায় নানা রকমের পেন্সিল দিয়ে লেখালিখি করার চেস্টা করে চলেছি,,  কিন্তু সেগুলো লেখা তো দুরের কথা, একটা দাগ বা হিজিবিজি কিছুই হয়ে ওঠে নি,,  আজ বেলার দিকে বাকি পেন্সিল গুলোও নিজের হাতের ভুলে টুকরো টুকরো করে ফেলেছি,, তাই এই অগত্যা মধুসুদন অবস্থা,,

একটা বাংলা ব্লগ শুরু করলাম,, একদম অকারনে,,, "অকারনে কিছু কিছু ",, লিখব,  শেয়ার করব,, দেখা যাক তারপর কি হয়,,,,

- অভ্রজিৎ
২০শে ফেব্রুয়ারি ২০১৭