Tuesday, February 28, 2017

আমার বাড়ী - ১

বেশ কদিন ধরে ছেলেকাল এর স্মৃতি গুলো বার বার করে আনাগোনা করেই চলেছে,,  খুবই মুস্কিল এর ব্যাপার,, গ্রীষ্মের দুপুরে ছাদের লান্ডিং এ বসে আকাশ দেখা,,  কিম্বা বর্ষাকালে জল ছপ ছপ করে স্কুল থেকে ফিরে মাএর কাছে কান মোলা খাওয়া,,  এই সব নানা কথা মনে পড়ে যাচ্ছে,,  এটা হয়তো বয়েস বাড়ার লক্ষন,,  তাই ভাবলাম আমার স্মৃতি গুলো শেয়ার করি, আমার জীবনের স্মৃতি ( অবশ্যই জীবনস্মৃতি বলার ধৃষ্টতা আমার নেই)..

ছেলে কাল এর কথা গুলো ভাবছিলাম,,  আমাদের বাড়ি ,,  তখন কয়লার উনুন ছিল আমাদের বাড়িতে,,  আমি মর্নিং স্কুল এ পড়ি তখন,,  তোলা উনুনে আঁচ দেওয়া ব্যাপার টা আমার কাছে খুব একটা স্কিল এর ব্যাপার ছিল,, বামুন দি আসত বিকেল তিনটের সময়,, তোলা উনুনু এ আঁচ দিত,,  খুব কৌতূহল,,  গোবরের ঘুঁটে সাজিয়ে,  একটু কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগানো,, তারপর কয়লা চাপানো,,  গল গল করে অনেক ধোঁওয়া,,আর তার একটু বাদে গনগনে লাল আগুন,,   কেন জানি না আমার এই উনুন এ আগুন জ্বালানো ব্যাপারটা খুব টেকনিকাল লাগত,, তাই বামুনদি এর কাছে শিখে   নিলাম উনুনে আঁচ দেওয়া,,  তখন আমার বয়েস ৯.. পরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় বুঝলাম তোলা উনুন ব্লাস্ট ফার্নেস এর মিনিয়েচার সংস্করণ, ,,অবশ্য  ওই উনুন নিয়ে আদিখ্যেতার অন্য একটা কারণ ছিল,, গুলতির জন্য পোড়া মাটির গুলি বানানো,,  গঙ্গা ধার থেকে এঁটেল মাটি এনে,গুলি বানিয়ে শুকিয়ে নিয়ে তোলা উনুন এ ফেলে দিতাম,,,  পরের দিন গুলি গুলো সিন্টার্ড হয়ে পাক্কা প্রোজেক্টাইল হয়ে যেত,, তখন কি ছাই জানতাম এটা একটা সেরামিক প্রসেস,, সে যাই হোক ওই গুলী গুলো দিয়ে শীল বাড়ীর  আমড়া গাছ থেকে  পাকা আমড়া পাড়তে খুব সুবিধা হত,,

এরকম কত যে গল্প,, লিখতে সেভাবে পারি না,,  আর পেরেও উঠি না,,  না হলে হয়ত মোটা মোটা বই লিখে ফেলতাম,,

Saturday, February 25, 2017

ইচ্ছামত ইচ্ছামতী

ইচ্ছামত ইচ্ছামতী নদীজল
ঢেউ হয়ে এসেছিল,
অকারণে ভেঙেছিল পাড়
ভেসেছিল অস্থির ঠিকানা
খড়কুটো ভেসে গিয়েছিল
মেঘছায়া মাতাল হল

উন্মাদ মন,অঝোর বৃষ্টিতে
চোখের পাতায় ছিল মেঘ,
মেঘের ঘনঘটা মিথ্যাচার
কিম্বা মিথ্যাচারণ,
কেন মুছে দিল
মেঘের শেষ জলছবি।।

-অভ্র
মার্চ ২০১৬

Wednesday, February 22, 2017

সাদার্ণ এ্যাভিন্যু

শহরে হৃদয় জ্বলে অকারণে,
জোনাকি আলো দেয়
কোলকাতা প্রান্তরে-
ভালবাসা প্রগলভতা পেল
সাদার্ন এভেনিউ জাংশানে।
"তুই নাকি ওদের দলে!
বিদেশী ভালবাসা
কেমন খেতে!
আমাকে বলে দিস।,"
একগোছা রজনীগন্ধা
হাতে নিয়ে বললাম;
ভালবাসা ভেসে গেল
ইচ্ছামতী জলে।

--অভ্রজিত দে।
জুন ২০১৬

Monday, February 20, 2017

যাই হারিয়ে

যাই হারিয়ে
----++++++++

চোখে পাতায়, বৃষ্টি ফোঁটা
মন আগুনে, মনের কোনায়
মন জ্বলে যায়, মন জ্বলে যায়
চায় সে ছুঁতে, মনের ভাষা
আদর মাখা, ঠোঁটের নেশায়
হোক না পাগল, ইচ্ছামতী
দোষ কি তাতে, মন যে মাটি
মাটির উপর, মাঠের ধারে
নীলাপানা সেই আকাশ পাড়ে
জ্যোৎস্না ভাসে, ফাগুন মাসে
আয়না রে তুই, আয়না রে আজ
মাঠ পেরিয়ে, রাতের শেষে
চল দুজনায়,যাই হারিয়ে।।

-অভ্রজিৎ
২০শে ফেব্রুয়ারি ২০১৭

অকারণে কিছু কিছু

আজ থেকে প্রায় এক বসন্ত আগে কি করে যেন আমার কলমটা আমি ভেঙে ফেলেছিলাম তারপর থেকে নানা রকম এর কাগজের পাতায় নানা রকমের পেন্সিল দিয়ে লেখালিখি করার চেস্টা করে চলেছি,,  কিন্তু সেগুলো লেখা তো দুরের কথা, একটা দাগ বা হিজিবিজি কিছুই হয়ে ওঠে নি,,  আজ বেলার দিকে বাকি পেন্সিল গুলোও নিজের হাতের ভুলে টুকরো টুকরো করে ফেলেছি,, তাই এই অগত্যা মধুসুদন অবস্থা,,

একটা বাংলা ব্লগ শুরু করলাম,, একদম অকারনে,,, "অকারনে কিছু কিছু ",, লিখব,  শেয়ার করব,, দেখা যাক তারপর কি হয়,,,,

- অভ্রজিৎ
২০শে ফেব্রুয়ারি ২০১৭